প্রশ্ন: বিয়েতে মসজিদে খেজুর ছিটানো কি সুন্নাহ? বা বিয়েতে খেজুর ছিটানো কি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে প্রমাণিত?
জবাব: বিয়েতে মসজিদে বা আকদ এর অনুষ্ঠানে অনেকে খেজুর ছিটায়। অনেকে এটাকে সুন্নাহ মনে করে। বিয়েতে মসজিদে খেজুর ছিটানো সুন্নাহ নয়। বিয়েতে খেজুর ছিটানো নিয়ে মারফূ সূত্রে কিছু জাল এবং অত্যন্ত দুর্বল হাদিস আছে। যেগুলোর সবগুলোর হাদিসের সনদেই ত্রুটি আছে। হাদিসগুলোর তাহকীক পেশ করছি:
বর্ণনা নং ১:
ইমাম বায়হাকী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত যে,
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার কোনো এক স্ত্রীকে বিবাহ করেছিলেন তখন তার উপর খেজুর ছিটানো হয়েছিল।[1]আস-সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, ৯০/১৫, হাদিস/১৪৭৯৭. অন্য সংস্করণে ৭/৪৬৯, … Continue reading
أخبرنا أبو سعد المالينى، أخبرنا أبو أحمد ابن عدي، حدثنا محمد بن عثمان وراق عبدان، حدثنا عمرو بن سعيد الزعفرانى، حدثنا الحسن بن عمرو، حدثنا القاسم بن عطية، عن منصور ابن صفية، عن أمه، عن عائشة رضي الله عنها، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوج بعض نسائه فنثر عليه التمر
[«السنن الكبير» للبيهقي 15/ 90]
বর্ণনাটির তাহকীক:
এর সনদে হাসান বিন আমর রয়েছে যিনি কাজ্জাব, মাতরুকুল হাদিস।
الحسن بن عمرو العبدي ، بصري، يروي عن علي بن سويد وأبي نعامة، كذاب.
«التاريخ الكبير» للبخاري 2/ 299 تحقيق المعلمي اليماني»
.
ইমাম মুসলিম তাকে মাতরুকুল হাদিস বলেছেন: [3]আল কুনা ওয়াল আসমা’ লিল ইমাম মুসলিম, ১/৫৫৯
أبو علي الحسن بن عمرو بن سيف العبدي البصري عن أبيه وأبي بكر الهذلي متروك الحديث.
الكنى والأسماء – للإمام مسلم» 1/ 559
.
ইমাম ইবন আদি তাকে দ্বঈফ আখ্যা দিয়েছেন: [4]আল কামিল ফি দুয়াফাঈর রিজাল, ৩/১৭৫, রাবী নং ৪৬৩.
الحسن بن عمرو بن سيف العبدي بصري.
[«الكامل في ضعفاء الرجال» 3/ 175]
ইবনুল জাওয্যি তাকে দ্বঈফ ও মাতরুক রাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন: [5]আদ্ব-দ্বুয়াফাঈ ওয়াল মাতরুকীন লি ইবনিল জাওয্যি, ১/২০৮, রাবী নং ৮৫০.
الحسن بن عمرو بن سيف العبدي البصري
«الضعفاء والمتروكون لابن الجوزي» 1/ 208
.
ইমাম ইবন আবি হাতিম বর্ণনা করেছেন,
আমরা তাকে বাসরায় দেখেছি, কিন্তু তার থেকে কোনো হাদিস লিপিবদ্ধ করিনি, তিনি মাতরুকুল হাদিস।[6]আল জারহ ওয়াত তাদীল লি ইবন আবি হাতিম, ৩/২৬, রাবী নং ১০৯
الحسن بن عمرو بن سيف البصري العبدي روى عن روح بن عبادة سمعت أبي يقول: رأيناه بالبصرة ولم نكتب عنه وهو متروك الحديث.
«الجرح والتعديل – ابن أبي حاتم» 3/ 26
.
ইমাম উকাইলীও তার কাজ্জাব হবার জারাহ নকল করেছেন, [7]আদ্ব-দ্বুয়াফাউল কাবির, লিল উকাইলী, ১/২৩৬, রাবী নং ২৮৫
الحسن بن عمرو بن سيف العبدي بصري ويقال: باهلي حدثنا عبد الرحمن بن الفضل قال: حدثنا محمد بن إسماعيل قال: حدثنا الحسن بن عمرو كذاب
[«الضعفاء الكبير للعقيلي» 1/ 236]
.
ইমাম ইবন হাজার আসকালানীও একই জারাহ নকল করে তাকে কাজ্জাব ও মাতরুকুল হাদিস বলেছেন:[8]দেখুন’ তাহযিবুত তাহযিব, ৩/২৪৪.
قلت: قال العقيلي: ثنا عبد الرحمن بن الفضل، ثنا محمد بن إسماعيل، ثنا الحسن بن عمرو بن سيف: كذاب
«تهذيب التهذيب» 3/ 244
সনদের আরেকজন রাবী হচ্ছে আল ক্বাসিম বিন আত্বিয়াহ যিনি আল ক্বাসিম মুতাইয়্যিব নামে মাশহুর। তিনিও দ্বঈফ রাবী। তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করতেন এবং আযিযুল হাদিস ছিলেন (তার বর্ণনার সংখ্যা সীমিত).
ইমাম ইবন হিব্বান বলেন,
স্বল্প হাদিস বর্ণনা করতে যেয়েও তিনি যাদের সূত্রে হাদিস বর্ণনা করতেন, তাদের থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করতেন। তাই হাদিস বর্ণনায় ভুলের পুনরাবৃত্তির দরুন তার হাদিস পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।[9]আল মাজরুহীন লি ইবন হিব্বান, ২/২১৬, রাবী নং ৮৭৬.
كان ممن يخطىء عمن يروي على قلة روايته، فاستحق الترك لما كثر ذلك منه.
[«المجروحين لابن حبان» 2/ 216]
ইমাম ইবন আদি উপরোক্ত খেজুর ছিটানো সংক্রান্ত বর্ণনাসমূহের সনদ সম্পর্কে মন্তব্য করে বলেন,
এই হাদিসগুলো ক্বাসিম বিন মুতাইয়্যিব এর সূত্রে হাসান বিন আমর হতে বর্ণিত। আর ক্বাসিম বিন মুতাইয়্যিব আযিযুল হাদিস (অর্থাৎ তার বর্ণনার সংখ্যা সীমিত) [10]আল কামিল ফি দ্বুয়াফাঈর রিজাল, ৩/১৭৬.
قال الشيخ: وهذه الأحاديث، عن القاسم بن مطيب يرويها عنه الحسن بن عمرو هذا والقاسم بن مطيب عزيز الحديث
«الكامل في ضعفاء الرجال» 3/ 176»
এছাড়াও উক্ত বর্ণনার সনদে উমর বিন সাঈদ আয-যাফারানি ও মুহাম্মাদ বিন উছমান ওয়াররাক আব্দান রয়েছে। তারা উভয়েই মাজহুল রাবী।
তাই একাধিক মাজহুল, মাতরুক ও দ্বঈফ পর্যায়ের রাবী থাকায় বর্ণনাটি অত্যন্ত দুর্বল।
.
বর্ণনা-২:
ইমাম বায়হাকী বর্ণনা করেন,
আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কাউকে বিবাহ করলে অথবা তিনি কাউকে বিবাহ দিলে তখন খেজুর ছিটাতেন। [11]আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, ৭/৪৬৯, হাদিস/১৪৬৮৩. অন্য সংস্করণে ১০/৯১, … Continue reading
ومنها ما أخبرنا أبو عبد الرحمن محمد بن الحسين السلمي أنا عبد الله بن محمد بن موسى بن كعب، أنا محمد بن غالب، نا زكريا بن يحيى، نا عاصم بن سليمان، نا هشام بن عروة، عن أمه، عن عائشة رضي الله عنها قالت: كان النبي صلى الله عليه وسلم ” إذا زوج أو تزوج نثر تمرا “
عاصم بن سليمان بصري رماه عمرو بن علي بالكذب ونسبه إلى وضع الحديث
[«السنن الكبرى – البيهقي» 7/ 469»]
এর সনদে আবু আব্দির রহমান মুহাম্মাদ বিন আল হুসাইন আস-সুলামি আছে, তিনি দ্বঈফ রাবী।
.
ইমাম যাহাবী বলেন,
وما هو بالقوي في الحديث. [«سير أعلام النبلاء» 17/ 250]
তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী নন. [12]সিয়ারু আ’লামিন নুবালা, ১৭/২৫০.
.
ইমাম খতিব আল বাগদাদী বর্ণনা করেছেন,
وقال لي محمد بن يوسف القطان النيسابوري: كان أبو عبد الرحمن السلمي غير ثقة،
قال: وكان يضع للصوفية الأحاديث. [«تاريخ بغداد» 3/ 43]
মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল কাত্তান আন-নিসাপুরি বলেন, আবু আব্দির রহমান আস-সুলাইমি ছিকাহ নন।
তিনি আরো বলেন,
তিনি সুফিদের জন্য হাদিস জাল করতেন। [13]তারীখু বাগদাদ, ৩/৪৩.
.
অতএব উপরোক্ত বর্ণনাটি অত্যন্ত দুর্বল।
বর্ণনা-৩:
ইমাম বায়হাকী বর্ণনা করেন,
14684 – ومنها ما أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن إبراهيم بن علي بن عروة البندار ببغداد نا أبو سهل بن زياد القطان، نا أبو الفضل صالح بن محمد الرازي حدثني عصمة بن سليمان الجرار، نا لمازة بن المغيرة، عن ثور بن يزيد، عن خالد بن معدان، عن معاذ بن جبل رضي الله عنه قال: ” شهد النبي صلى الله عليه وسلم أملاك رجل من أصحابه فقال: ” على الألفة والطير المأمون والسعة في الرزق بارك الله لكم دففوا على رأسه “، قال: فجيء بالدف وجيء بأطباق عليه فاكهة وسكر فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ” انتهبوا “، فقال: يا رسول الله أولم تنهنا عن النهبة؟ قال: ” إنما نهيتكم عن نهبة العساكر أما العرسات فلا ” قال: فجاذبهم النبي صلى الله عليه وسلم وجاذبوه “
«السنن الكبرى – البيهقي» 7/ 469 ط العلمية
মুয়ায বিন জাবাল (রাদ্বিআল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূল ﷺ তার এক আনসারি যুবকের বিবাহে উপস্থিত হলেন, অতঃপর বললেন, তোমার দাম্পত্যজীবন প্রেমময়, মঙ্গলময় এবং সম্পদে প্রাচুর্যতাপূর্ণ হোক। আল্লাহ যেন তোমাদের বরকাত দান করেন। বরের মাথার নিকট তোমরা দফ বাজাও। অতঃপর দফ নিয়ে আসা হলো এবং ফল ও মিষ্টান্নের থালাগুলো আনা হলো, তারপর নবী ﷺ বললেন, কেড়ে নাও।তিনি (মুয়ায বিন জাবাল) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আপনি কি আমাদের কাড়াকাড়ি করা থেকে বিরত থাকতে বলেননি? তিনি (ﷺ) বললেন, আমি তোমাদেরকে কেবল সৈন্যশিবিরে (গণিমতের মাল) কেড়ে নিতে নিষেধ করেছি কিন্তু বিবাহের অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিষেধ করিনি। তিনি (মুয়ায) বললেন, তখন নবী ﷺ তাদের সাথে খাবার নিয়ে টানাটানি করলেন এবং তারাও তার সাথে টানাটানি করলো। [14]আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, ৭/৪৬৯, হাদিস/১৪৬৮৪. অন্য সংস্করণে ১৫/৯১, … Continue reading
উক্ত বর্ণনার সনদে লুমাযাহ ইবনিল মুগিরাহ নামক রাবী রয়েছে। যার পরিচয় অজ্ঞাত। এছাড়াও এতে তাবেঈ খালিদ ইবনু মা’দান হাদিসটি সাহাবী মুয়ায বিন জাবাল এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি মুয়ায বিন জাবাল (রাদ্বিআল্লাহু আনহু) এর সাক্ষাৎ পাননি।
ইমাম আবু ঈসা আত তিরমিযি (রাহিমাহুল্লাহ) তার সুনানে তাবেঈ খালিদ ইবনু মা’দান হতে মুয়ায বিন জাবাল এর সূত্রে আসা একটি হাদিসের টিকায় বলেন,
এ হাদিসটি গারীব। এর সনদ সূত্র মুত্তাসিল নয়। খালিদ ইবনু মা’দান (রাহঃ) মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর দেখা পাননি। খালিদ ইবনু মা’দান (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি সত্তরজন সাহাবীর দেখা পান। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফাত কালে মারা যান।[15]সুনান আত তিরমিজি, ৪/৬৬১, হাদিস/২৫০৫, মাক্তাবা শামেলা. অন্য সংস্করণে ৪/২৭৬.
«هذا حديث حسن غريب وليس إسناده بمتصل وخالد بن معدان لم يدرك معاذ بن جبل، وروي عن خالد بن معدان أنه أدرك سبعين من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، ومات معاذ بن جبل في خلافة عمر بن الخطاب،
في إسناده مجاهيل وانقطاع وقد روي بإسناد آخر مجهول عن عروة عن عائشة رضي الله عنها عن معاذ بن جبل «السنن الكبرى – البيهقي» 7/ 470
এর সনদে মাজহুল রাবীদ্বয় এবং সনদে ইনকিতা (বিচ্ছিন্নতা) রয়েছে। এটি আরেকটি মাজহুল রাবীর সনদে বর্ণিত হয়েছে উরওয়া এর সূত্রে আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহু আনহা) হতে, তার সূত্রে মুয়ায বিন জাবাল (রাদ্বিআল্লাহু আনহু) হতে। [16]আস সুনানুল কুবরা, লিল বায়হাকী, ৭/৪৭০
ইমাম আবু বকর আল বায়হাকীও উপরোক্ত তিনটি মারফু বর্ণনাকে যেই বাবে এনেছেন তার শুরুতে এবং শেষে মন্তব্য করে বলেন,
এই অধ্যায়ের কোনো হাদিসই প্রমাণিত নয়। আল্লাহ ভালো জানেন। [17]আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, ১৫/৯২.
ولا يثبت في هذا الباب شئ، والله أعلم.
[«السنن الكبير» للبيهقي 15/ 92» ]
বাবের শুরুতে বলেছেন,
وقد روى في الرخصة فيه أحاديث كلها ضعيفة؛
[«السنن الكبير» للبيهقي 15/ 90»]
এই মিষ্টান্ন ছিটানোর বৈধতায় যেসব হাদিসগুলো বর্ণিত হয়েছে তাদের প্রত্যেকটি দ্বঈফ। [18]আস-সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, ১৫/৯০
ইমাম ইবনুল জাওযী ও আকদ এর অনুষ্ঠানে খেজুর ছিটানো সংক্রান্ত মারফু সূত্রে আসা বর্ণনাকে মাউযু/বানোয়াট বলেছেন:
باب نثر التمر على رأس المتزوج أنبأنا عبد الرحمن بن محمد أنبأنا أحمد بن علي أنبأنا أبو عمر بن مهدي أنبأنا محمد بن مخلد حدثنا عبيد الله بن النعمان حدثنا سعيد بن سلام حدثنا ابن أبي داود قال حدثنى منصور بن عبد الرحمن عن أمه صفية بنت شيبة عن عائشة ” أن النبي صلى الله عليه وسلم تزوج امرأة من نسائه فنثروا على رأسه تمر عجوة “
আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত যে, নবী ﷺ তার এক স্ত্রীকে বিবাহ করেছিলেন, তখন তার মাথায় আজওয়া খেজুর ছিটানো হয়।
ইমাম ইবনুল জাওযী বলেন,
هذا حديث باطل.
وسعيد بن سلام ليس بشئ، وقال أحمد بن حنبل: هو كذاب، وقال البخاري: قد ذكر بوضع الحديث، وقال الدارقطني: متروك يحدث بالاباطيل.
[«الموضوعات لابن الجوزي» 2/ 264]
এই হাদিসটি বাতিল। সাঈদ বিন সালাম লাইসা বিশাইয়্যিন (জারাহ)। আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন, সে কাজ্জাব। বুখারী বলেছেন, তিনি হাদিস জালকারী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছেন। দারাকুতনি বলেন, সে মাতরুক পর্যায়ের এবং মিথ্যা বর্ণনা করে। [19]আল মাউদ্বুআত লি ইবনিল জাওযী, ২/২৬৪
অতএব, রাসূল ﷺ থেকে মারফু সূত্রে এ সংক্রান্ত কোনো বর্ণনাই প্রমাণিত নয় এবং একে সুন্নাহও বলা যাবে না।
তাবেঈদের মধ্যে কিছু তাবেঈ রয়েছেন, যেমন আত্বা বিন আবি রিবাহ, ইমাম শু’বাহ – যারা আকদ বা বিবাহের মজলিসে খেজুর ছিটানোকে অপছন্দ করতেন এবং কেউ কেউ তা বৈধ মনে করতেন। সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ এই কাজকে অপছন্দ করতেন।
হানাফি ফুকাহা এটাকে জায়েজ ভাবতেন তবে সুন্নাহ নয় আর হাম্বলী ফিকহের মুতামাদ মত অনুযায়ী মাকরুহ।
সেই সংক্রান্ত বিষয়ে এবং ফিকহী দৃষ্টিকোণ থেকে এই মাসআলার বিষয়ে পরের পর্বে আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ।